জানেন কি, মহানবী (সা.) এর জানাজার ইমাম কে ছিলেন?

ইবনে মাজাহ শরিফে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, মঙ্গলবার সাহাবায়ে কেরাম রাসুলে কারিম সা.-এর গোসল ও কাফনের কাজ শেষ করেন। নবীজির দেহ মোবারক রওজার পাশে রাখেন। সাহাবারা দল দলে নবীজির কাছে আসতে থাকেন। কারও ইমামতিতে নয়; সবাই একা একা নামাজ ও দুরুদ শেষে বেরিয়ে যান।

(ইবনে মাজাহ) অন্য কিতাবে আছে, রাসুল সা.-এর ইন্তেকাল এর আগে সাহাবিরা নবীজির দরবারে আসলেন। সাহাবাদের দেখে নবীজির চোখে বেদনার জল। নবীজি বললেন, আমি তোমাদের আল্লাহর কাছে সোপর্দ করছি, আল্লাহ তোমাদের সঙ্গী হবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসুল সা.!

আপনার যাওয়ার সময় খুব নিকটে চলে এসেছে, আপনার ইন্তেকালের পর আপনাকে কে গোসল দিবে? রাসুল সা. বললেন, আমার আহলে বাইত মানে আমার পরিবারের সদস্যরা। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আবার জানতে চাইলেন, কে আপনাকে কাফন পরাবে? রাসুল সা. বললেন, আমার আহলে বাইত।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আবার জানতে চাইলেন কে আপনাকে কবরে নামাবে? রাসুল সা. বললেন, আমার আহলে বাইত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আবার জানতে চাইলেন কে আপনার জানাজা কে পড়াবে? তখন রাসুল সা.-এর চোখ বেয়ে বেদনার জল নেমে এলো। তিনি বললেন, তোমাদের নাবীর জানাজা এমন হবে না, যেমন তোমাদের হয়। যখন আমার গোসল হয়ে যাবে তখন তোমরা সবাই ঘর থেকে বের হয়ে যাবে। সবার আগে জিবরাইল আমার জানাজা পড়বে।

তারপর মিকাঈল ও ই¯্রাফিল ধারাবাহিকভাবে আরশের অন্যান্য ফেরেশতারা আসবে ও আমার জানাজা পড়বে। তারপরে তোমাদের পুরুষরা, নারীরা এবং শিশুরা আমার জন্য দোয়া ও সালাম পড়বে। অতঃপর তোমরা আমাকে আল্লাহর সোপর্দ করে দিবে। (আলবিদায়া ওয়ান নিহায়া-৫/২২২, দালায়েলুন নবুয়্যাহ লিলবায়হাককি)

নবীজি সা.-এর জানাজা বিষয়ে আরো দীর্ঘ হাদিস পাওয়া যায় তিরিমিজি শরিফে। সাহাবি হজরত সালেম বিন ওবায়েদ রা. বলেন, আমি প্রথমে হজরত আবু বকর সিদ্দিক রা. কে রাসুলে কারিম সা.-এর ইন্তেকালের সংবাদ দিই ।

তখন আবু বকর সিদ্দিক রা. আমাকে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে ভেতরে আসো । সাহাবি হজরত সালেম বিন ওবায়েদ রা. বলেন, হজরত আবু বকর রা. যখন রাসুলের নিকট যেতে চাইলেন, তখন চারপাশে মানুষের প্রচন্ড- ভিড় ।

হজরত আবু বকর রা. লোকদের বললেন, তোমরা আমাকে সামান্য রাস্তা দাও ! লোকেরা ভেতরে যাওয়ার পথ করে দিল ! তিনি ভেতরে গেলেন, মাথা নুইয়ে কাছে গিয়ে নবীজি সা. কে দেখলেন । নবীজির পবিত্র কপালে হজরত আবু বকর রা. চুমু খেলেন । তারপর কোরআনের আয়াত পড়লেন, যার অর্থ হলো, নিশ্চয় তুমিও ইন্তেকাল করবে এবং তারাও ইন্তেকাল করবে । হজরত আবু বকর রা. বেরিয়ে এলে; লোকেরা জানতে চাইলেন, ওগো নবীজির বন্ধু !

নবীজি কি ইন্তেকাল করেছেন ? হজরত আবু বকর রা. বললেন, হ্যা । তখন লোকেরা নবীজির ইন্তেকালের খবর দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করলো । তারপর সাহাবায়ে কেরাম হজরত আবু বকর রা. কে জিজ্ঞেস করলেন, ওগো নবীজির বন্ধু ! নবীজির কি জানাজার নামাজ পড়া হবে ? তিনি বললেন, হ্যা । জিজ্ঞাসা করা হল, কিভাবে ? হজরত আবু বকর রা. বললেন, এভাবে যে, এক এক জামাত নবীজির ঘরে প্রবেশ করবে এবং জানাজা পড়ে বেরিয়ে আসবে ।

তারপর অন্য জামাত প্রবেশ করবে । সাহাবারা হজরত আবু বকর রা. কে জিজ্ঞাসা করলেন, নবীজিকে কি দাফন করা হবে ? তিনি বললেন, জি । জিজ্ঞাসা করা হল, কোথায় ? তিনি বললেন, যেখানে আল্লাহ তায়ালা নবীজির রূহ কবজ করেছেন সেখানেই । কেননা, আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় নবীজিকে এমন স্থানে মৃত্যু দান করেছেন যে স্থানটি উত্তম ও পবিত্র । সাহাবারা দৃঢ়ভাবে মেনে নিলেন হজরত আবু বকর রা.-এর কথা ।

হজরত আবু বকর রা. নিজেই নবীজির আহলে বায়াত তথা রাসুলের পরিবার ও বংশের মানুষদের ডেকে গোসল নির্দেশ দেন । (সূত্র : শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস : ৩৭৯, ৩৯৭, শরফুল মুস্তফা, বর্ণনা নং-৮৫০, আল আনওয়ার ফি শামায়িলিন নাবিয়্যিল মুখতার, বর্ণনা নং-১২০৯) ইমাম শাফি রহ. এবং কাজি ইয়াজ রা. বলেন, নবীজি সা.-এর জানাজা পড়া হয়েছে । কিতাবুল উম্মু/ সিরাতে মস্তুফা/৩য় খ-: ২৩৫ পুনশ্চ : নবীজির জানাজা হয়েছে ।

সাহাবারা একা একা পড়েছেন । কেউ ইমামতি করেননি । তবে তাবাকাতে ইবনে সাদের বরাতে বলা হয়, হজরত আবু বকর ও ওমর রা. এক সঙ্গে নবীজি সা.-এর ঘরে উপস্থিত হন । নবীজির দেহ মোবরক সামনে রেখে নামাজ-সালাম ও দুরুদ পেশ করেন । দীর্ঘ দোয়ার সময় পেছনে সারিবদ্ধ সাহাবিরা আমিন আমিন বলেছেন । (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া : ৫ম খ-: ২৬৫)

নামাজে টুপি পরা কি জরুরী? জানুন বিস্তারিত

নামাজে টুপি পরা জরুরি কি-না এটা নিয়ে আমাদের সমাজে ইদানীং কিছু বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অনেকে এটাকে জরুরি মনে করেন না। আবহমান কাল ধরে গ্রাম-বাংলায় টুপি পরে নামাজ আদায়ের যে সংস্কৃতি এটাকে অনেকেই অস্বীকার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু টুপি মুসলিম

উম্মাহর শেয়ার বা জাতীয় নিদর্শন। টুপি রাসুলে করিম (সা.), সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়িন, তাবে তাবেয়িনরা পরেছেন এবং পরবর্তী সব যুগের মুসলমানরাই পরেছেন।

পাগড়ির মতোই একটি ইসলামি লেবাস টুপি। হাদিস ও ইতিহাসের কিতাবে এ ব্যাপারে অনেক গ্রহণযোগ্য আলোচনা রয়েছে। রাসুলে করিম (সা.) মাথা ঢেকে নামাজ আদায় করতেন, আমাদেরও তাই করা উচিত। নামাজ আদায় করার জন্য আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে যথেষ্ট বিনয় অবলম্বন করা প্রয়োজন। পোশাক এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘তোমরা নামাজের সময় তোমাদের সর্বোৎকৃষ্ট পোশাক পরিধান করো’ (সূরা আরাফ : ৩১)। হাসান ইবনে আলী (রা.) নামাজের সময় সর্বোৎকৃষ্ট পোশাক পরতেন। একদিন কেউ তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা সুন্দর এবং তিনি সুন্দরকে পছন্দ করেন। তাই আমি আমার প্রভুর জন্য সুন্দর পোশাক পরি (রুহুল মাআনি : ৪/৩৪৯)।

হাসান বসরি (রহ.) বলেন, তাঁরা (সাহাবায়ে কেরাম গরমের কারণে) পাগড়ি বা টুপির ওপর সিজদা করতেন (বোখারি: ১/৮৬)। যুহাইর (রহ.) বলেন, আমি প্রখ্যাত তাবেয়ি আবু ইসহাক সাবিয়ীকে দেখেছি, তিনি আমাদের নিয়ে নামাজ পড়েছেন। তিনি মাটি থেকে টুপি উঠিয়ে মাথায় পরেছেন (তাবাকাতে ইবনে সাদ: ৬/৩১৪)। তাই ফুকাহায়ে কেরাম নামাজে টুপি পরা সুন্নত বলেছেন এবং অবহেলা করে টুপি না পরে নামাজ পড়াকে মাকরুহ বলেছেন, যদিও নামাজ আদায় হয়ে যাবে (ফাতাওয়া কাজিখান: ১/১৩৫)।

নামাজ পড়া অবস্থায় মাথা থেকে টুপি মেঝেতে পড়ে গেলে বা পাগড়ি খুলে গেলে, খুব সহজেই তা ঠিক করে নিতে পারলে করে নেয়া উত্তম। আমলে কাছিরের মতো খুব বেশি নড়াচড়ার প্রয়োজন হলে, তখন নড়াচড়া না করে এ অবস্থায়ই নামাজ আদায় করে নেবে (জাদিদ ফিকহি মাসায়িল, পৃষ্ঠা ১১৬)।

তাই আমাদের টুপি পরার ব্যাপারে অনাদর অবহেলা না করে, নামাজে টুপি পরিধান করে রাসুলে করিম (সা.) এর সুন্নত পালন করা উচিত এবং প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী শরীরের অন্যান্য পোশাকের সঙ্গে মানানসই টুপি পরিধান করা জরুরি।

কোরআন পড়ে গেলে কিংবা পুরনো হলে করণীয় !

পবিত্র কোরআনে কারিম আল্লাহতায়ালার কালাম। অতএব যে আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের ওপর ইমান রাখে, তার ওপর কোরআনে কারিমের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ও অপমান থেকে তা রক্ষা করা অবশ্য কর্তব্য। কোনো কোরআনের কপি যদি, পুরনো হয়, ছিড়ে যায় ও তার পৃষ্ঠাগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়, তাহলে এমন জায়গায় রাখা যাবে না, যেখানে ওইসব পাতার অমর্যাদা হয়, ময়লা-আবর্জনায় পতিত হয়, মানুষ বা জীবজন্তু দ্বারা পিষ্ট হয়।

হাত থেকে পড়ে গেলে যা করবেন: আমাদের সমাজে প্রচলন রয়েছে, কারো হাত থেকে ভুলে বা অন্য কোনোভাবে কোরআনে কারিম পড়ে গেলে, কোরআনের ওজন পরিমাণ চাল দান করে দিতে হয়। আসলে এর কোনো শরয়ী ভিত্তি নেই। কারো হাত থেকে কোরআন পড়ে গেলে এ জন্য সে অনুতপ্ত হবে, ভবিষ্যতে যেন আর কোরআন না পড়ে সে জন্য সতর্ক থাকবে।

এভাবে শুধু পবিত্র কোরআনে কারিম নয়, হাদিস গ্রন্থ থেকে শুরু করে, কায়দা, আমপাড়া এমনকি ইসলামি বইপুস্তক যেখানে কোরআনের আয়াত লিপিবদ্ধ আছে সেসবেরও একই হুকুম। এদিকে লক্ষ্য রেখেই ইসলামি স্কলাররা বলেন, যত্রতত্র বিশেষ করে পোস্টার হ্যান্ডবিলে কোরআনের আয়াত বা হাদিসের উদ্ধৃতি না লেখা। কারণ, এসবের সংরক্ষণ হয় না।

পুরনো কোরআন যদি বাঁধাই করে পাঠ উপযোগী করা সম্ভব হয়, তাহলে পরিত্যক্ত না রেখে ব্যবহার করা শ্রেয়। অনুরূপভাবে প্রকাশক বা কারো অবহেলা ও ভুলের কারণে কোরআনে কারিমে যদি ভুল ছাপা হয়, আর সংশোধন করা সম্ভব হয়, তাহলে সংশোধন করে পাঠ উপযোগী করা জরুরি।

তবে পুরনো বা ভুলছাপার কোরআন যদি একেবারেই পাঠ উপযোগী করা সম্ভব না হয়, তাহলে অসম্মান ও বিকৃতি থেকে সুরক্ষার জন্য কোরআনের ওই কপিগুলো নিরাপদ স্থানে দাফন করা জরুরি। নিরাপদ স্থান বলতে ওই স্থানকে বুঝায়, যেখানে মানুষ চলাচল করে না, ভবিষ্যতে অপমানের সম্মুখিন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

পুরনো ও ব্যবহার অনুপযুক্ত কোরআন সুরক্ষার আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে তা পুড়িয়ে দেয়া। হজরত উসমান (রা.) কোরাইশি হরফের কোরআন রেখে অবশিষ্ট কোরআনের কপিগুলো পোড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মর্মে একটি বর্ণনা ইমাম বোখারি (রহ.) উল্লেখ করেছেন।

তবে পুরনো কোরআনের কপি পোড়ানোর ক্ষেত্রে আলেমরা বলেন, এসব ভালো করে পুড়ে ছাই করা জরুরি, কারণ অনেক সময় পোড়ানোর পরও হরফ অবশিষ্ট থাকে। পুরনো কোরআন দাফন করা অপেক্ষা পোড়ানো উত্তম। কারণ, দাফনের পর কখনো ওপর থেকে মাটি সরে গেলে দাফনকৃত কোরআনের অসম্মান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পোড়ানো ও পোড়ানোর পর ছাইগুলো দাফন করা অধিক শ্রেয়।

অনেকে ব্যবহার অনুপযুক্ত কোরআনের কপি পানিতে ফেলে দেন। এটা ঠিক না। কারণ, পানিতে ভাসমান অবস্তায় এসব কোরআনের কপি যে কোনো ময়লা-আবর্জনা কিংবা নাপাক স্থানে গিয়ে ঠেকতে পারে। তাই এ পদ্ধতি সঠিক নয়। তবে হ্যাঁ, একান্তই যদি পানিতে ভাসিয়ে দিতে হয়, তাহলে প্রবহমান নদীতে ভারী কোনো কিছু বেঁধে তারপর ফেলতে হবে।

আঁচিল সমস্যায় ভুগছেন?জেনে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে আঁচিল ঝরানোর নিয়মাবলী

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে।একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে।আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে।

আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো।নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন।সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন।দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়।ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগিয়ে রাখুন। রোজ ব্যবহার করুন, আঁচিল ঝরে পড়বে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে।আঁচিলের অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসায় আপনাকে একটু ধৈর্য্ ধরে চর্চা করতে হবে। যেকোন উপায় সপ্তাহখানেক মেনে দেখুন।এর মধ্যে ঝরে না পড়লে অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করুন। ব্যক্তিভেদে পদ্ধতি পার্থক্যের সৃষ্টি করে। কেউ কেউ আঁচিল সারাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।সার্জিক্যালি করতে গেলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আঁচিল দূর করা সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।নখ দিয়ে আঁচিল খোঁচা-খুঁচি করবেন না। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।তবে আঁচিলের সবচেয়ে কার্যকর চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে।এ সমস্যায় ভুগলে আপনার আশেপাশের ভালো এবং রেজিস্টার্ড কোন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগযোগ করে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিন।

স্ত্রীর উপার্জিত অর্থে স্বামীর কোনো অধিকার নেই জেনে নিন ইসলাম কি বলে

স্বামীর ওপর স্ত্রীর অধিকার ও স্ত্রীর ওপর স্বামীর অধিকার নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এবার ভিন্ন একটি বিষয় আলোচনার প্রয়োজন বোধ করছি। বর্তমান সমাজে স্বামী

স্ত্রী উভয় চাকুরি করে থাকেন। নারীদের কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। সে হিসেবে অনেক বিবাহিত নারীও চাকুরি করেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে সংসারে স্ত্রীও চাকুরি করেন তার উপার্জনে কী স্বামীর কোনো অধিকার রয়েছে কীনা বা সংসার খরচের জন্য ব্যয় করা বাধ্যতামূলক কীনা।

ইসলামি শরিয়া মতে, স্বামীর উপার্জনের ওপর স্ত্রীর ভরণ পোষণের অধিকার থাকলেও স্ত্রীর উপার্জনের ওপর স্বামীর কোনো অধিকার নেই। সংসারে স্ত্রীর উপার্জন থেকে ব্যয় করার জন্য তাকে বাধ্য করা যাবে না। তবে খুশি মনে যদি স্ত্রী সংসারের জন্য ব্যয় করেন এটা তার জন্য সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গণ্য হবে। তবে কোনো ক্রমেই তাকে বাধ্য করা যাবে না। খুশি মনে ব্যয় করলে ভিন্ন বিষয়।

স্ত্রীর উপার্জিত টাকা থেকে পারিবারিক ঋণ পরিশোধ অথবা সংসার পরিচালনার জন্য খরচ করতে হলে অবশ্যই স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। তার অনুমতি হলেই কেবল এটাই সম্ভব হবে, অন্যথায়। কারণ, স্ত্রীর সম্পদের অধিকারী স্বামী নয়। তাই স্ত্রীকে না জানিয়ে তার খরচ করলে স্বামী গুনাহগার হবে।

স্ত্রীর উপার্জিত অর্থ তার অনুমতি ব্যতীত খরচ করা, কিংবা স্ত্রীকে না জানিয়ে মা-বাবা, ভাই-বোন থেকে শুরু করে কাউকে ওই টাকা দিয়ে সাহায্য করা ইসলাম অনুমোদন দেয় না। এটা জায়েজ নেই। এটা করলে স্ত্রীর অধিকার নষ্ট করা হবে এবং তার আমানতের খেয়ানত করা হবে।

তবে হ্যাঁ, স্বামী তার উপার্জিত টাকা সংসারের চাহিদা মিটিয়ে নিজ পছন্দমতো খরচ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে স্ত্রীর উপার্জিত অর্থে স্বামীর অধিকার না থাকলেও প্রয়োজনে স্বামীর সংসারের জন্য খরচ করা পুণ্যের কাজ। এতে স্বামী স্ত্রীর মাঝে মিল মুহাব্বত ভালবাসা বৃদ্ধি পাবে। একে অপরের প্রতি সহনশীল হবে। স্ত্রীর স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ করেই তার অর্থ ব্যয় করা উচিত। এতে স্বামীর মনও খুশি থাকবে। তবে স্ত্রী যদি তার অর্থের ব্যাপারে স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ নাও করেন এর জন্য স্ত্রীকে দোষারোপ করা যাবে না।

মানুষের যে হাড় মাটি খেয়ে ফেলতে পারেনা, সেখান থেকে পুনরায় মানুষকে তৈরি করা হবে

আবু হুরায়রা বলেন “আল্লাহর রাসুল(সাঃ) বলেছেন,‘দুই ‍শিঙ্গার শব্দের মাঝে ৪০’।”উপস্থিত কেউ একজন আবু হুরায়রাকে জিজ্ঞাসা করল,“৪০দিন?” তিনি কোন উত্তর দিলেন না।আবার তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো,“৪০মাস?” তিনি উত্তর দিলেন না।তাকে আবার জিজ্ঞাসা করা হলো, “৪০বছর?” তিনি এবারও উত্তর প্রদানে বিরত থাকলেন। এরপর আবু হুরায়রা রাসুলুল্লাহ(সাঃ)-এর বাণীর বাকীটুকু বলা শুরু করলেন “তারপর আল্লাহ আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং মানুষের মৃতদেহগুলো চারাগাছের মত বেড়ে উঠবে।মানুষের শরীরের কোন অংশই নষ্ট হতে (বা পঁচতে) বাকি থাকে না কেবলমাত্র একটা হাঁড় ছাড়া (যেটি মেরুদন্ডের একেবারে শেষপ্রান্তে কক্সিস নামে পরিচিত) যা থেকে পুনরুত্থান দিবসে পুনরায় মানবদেহ তৈরি করা হবে”।উপরোক্ত হাদিসটিই আবার ভিন্ন রেয়াতে বুখারী,নাসায়,আবু দাউদ,ইবনে মাজা,আহমেদ তার ‘মুসনাদ’ গ্রন্থে এবং মালেক তার ‘মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন-


আবু হুরায়রা বলেন নবীজী(সাঃ) বলেছেন:“মাটি আদম সন্তানের দেহের সবটুকুই খেয়ে ফেলবে কেবলমাত্র এক টুকরা হাঁড় ছাড়া (কক্সিস অর্থে) যা থেকে তাকে তৈরি করা হয়েছে এবং যা থেকে তাকে পুনরায় তৈরি করা হবে”।
উপরোক্ত হাদিসটি বিশ্লেষণ করলে যে বিষয়গুলো উঠে আসে-
১)মেরুদন্ডের নিচের প্রান্তে থাকা ক্ষুদ্রতম হাঁড় তথা কক্সিস থেকেই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে
২)এই হাঁড়টি ধ্বংস হয় না।
৩)মৃত্যুর পর পুনরায় তা থেকেই আবার তাকে তৈরি করা হবে।
৪)চারাগাছ যেভাবে বেড়ে উঠে ঠিক সেভাবেই মানুষের দেহ পুন তৈরি হবে।
প্রথমে বর্ণিত হাদিসটিতে লক্ষ্যণীয় যে উপস্থিত লোকজন আবু হুরায়রাকে ‘৪০’ এর ব্যাপারে ‘৪০দিন’ না ‘৪০মাস’ না ‘৪০বছর’ জিজ্ঞাসা করলেও ‘৪০সপ্তাহের’ কথা কেউ জিজ্ঞাসা করেননি।আমরা জানি মাতৃগর্ভে ভ্রুণ পরিপূর্ণ শিশুতে পরিণত হতে প্রায় ৪০ সপ্তাহ সময় লাগে।
পুনরুত্থানের সময় মানুষের দেহ তৈরি হওয়াকে চারাগাছের সাথে তুলনা করাকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে হয়েছে। কারণ গাছের বীজ শুকনো অবস্থায় (কোন রকমের পানি বা অন্য পুষ্টি না গ্রহণ করেই) বছরের পর বছর সংরক্ষণ করা যায়।এবং এই শুকনো বীজকে মাটিতে বুনলে তা থেকে সজীব গাছ বের হয়ে আসে।
তাহলে আমাদের দেহের ‘কক্সিস’ নামক হাঁড়টি কি আমাদের দেহের পুনরুত্থানের বীজ?হাদিসের বর্ণনা অনুসারে সেটি বলা যায়।কারণ সে সময় গর্ভধারণের মত কাউকেইতো জীবিত পাওয়া যাবে না।তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায়-
১)এই হাঁড়টির ভিতর এমন কী আছে যার থেকে মানুষ সৃষ্টি হওয়া সম্ভব?
২)মানুষ মরে যাওয়ার হাজার হাজার কিংবা লক্ষ লক্ষ বছর পরেও এই হাঁড়টির অক্ষত থাকা আদৌ সম্ভব কিনা?
উপরোক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দুটোর উত্তর পাওয়া গেলে আশা করা যায় বর্ণিত হাদিসটির তথ্যসমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।এবার এ প্রশ্ন দুটোর উত্তর খুঁজতে নোবেল বিজয়ী ভ্রুণ বিষয়ক গবেষণাটি উপস্থাপন করা যাক।
শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনে যে এককোষী জাইগোট তৈরি হয় তা ক্রমাগত বিভাজনের (mitotic cell division)-এর মাধ্যমে কোষগুচ্ছ তৈরী করে যা দেখতে অনেকটা প্লেটের মত।একটা নির্দিষ্ট সময় পর (মানুষের ক্ষেত্রে ১৪দিনের মাথায়) এই কোষ প্লেটের (embryonic plate) পিঠে নিচের চিত্রের ন্যায় একটি গোল মাথাওয়ালা গর্ত তৈরি হয় যা প্রিমিটিভ স্ট্রিক (Primitive streak) নামে পরিচিত।এটি তৈরি হওয়ার পরপরই এর থেকে পাঠানো সিগন্যালে পার্শ্ববর্তী কোষগুলো বিশেষ ক্ষমতা অর্জন করে।এরা কেউ ত্বক, কেউ হাঁড়, কেউ মাংস আবার কেউ রক্ত এবং অাভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গ তৈরি করা শুরু করে-
প্রিমিটিভ স্ট্রিকের যেদিকে গোল গর্তটি (primitive node নামে পরিচিত) থাকে সেটা ভ্রুণের মাথার দিক নির্দেশ করে।যখনই বিশেষায়িত কোষগুলো বিভিন্ন অঙ্গ তৈরি করা শুরু করে তখন প্রিমিটিভ স্ট্রিক ক্রমাগত ছোট হয়ে বিলীন হতে থাকে এবং শেষে মেরুদন্ডের একবারে নিচের ক্ষুদ্র হাড় কক্সিস তৈরি করে তার মাঝে এর শেষাংশ অবস্থান করে।এজন্য কোন কারণে এখানে টিউমার হলে (টেরাটোমা বা Teratoma) হলে সে টিউমারের মধ্যে চুল,হাঁড়,দাঁত,মাংসপেশী,গ্র্যান্ড ইত্যাদি পাওয়া যায় (নিচের ছবিতে দেখুন)-
জার্মান ভ্রণবিশেষজ্ঞ Hans Spemann (27 June,1869-9Sept.,1941) অন্যন্য প্রাণীর ভ্রুণের উপর প্রিমিটিভ স্ট্রিকের প্রভাব নিয়ে এক গবেষণা কর্ম পরিচালনা করেন।তিনি লক্ষ্য করেন প্রিমিটিভ স্ট্রিকের উপস্থিতি ছাড়া কোন ভ্রুণ থেকে শিশু গঠন সম্ভব নয়।শুধু তাই নয় তিনি এক প্রাণীর প্রিমিটিভ স্ট্রিক অন্য আরেকটি প্রাণীর ভ্রুণে স্থাপন করে দেখতে পান যে সেখানে দ্বিতীয় প্রাণীটির ভ্রুণের পাশাপাশি প্রথম প্রানীটিরও ভ্রুণ তৈরি হয়েছে-
অর্থাৎ প্রিমিটিভ স্ট্রিক যে কোন অবস্থানে কেবলমাত্র নিজ প্রানীর শিশুই তৈরি করতে সক্ষম।তিনি এর নাম দেন ‘প্রাইমারি অর্গানাইজার বা Primary organizer’।এই আবিষ্কারের জন্যই Hans Spemann ১৯৩৫ সালে নোবেল প্রাইজ পান।১৯৩৮ সালে তিনি এ বিষয়ে বইও লেখেন ‘Embryonic Development & Induction’।কথা এখানেই শেষ নয় বই লেখার ৩বছরের মাথায় Hans Spemann মারা যান এবং তার ফলো-আপ গবেষণা চালিয়ে যান Johannes Holtfreter, Dorothy M. Needham, Joseph Needham, Conrad Waddington সহ কয়েকজন যারা সবচেয়ে বিষ্ময়কর আবিষ্কারটি করেন।তারা গবেষণায় দেখতে পান প্রিমিটিভ স্ট্রিকের কোষগুলোকে সিদ্ধ করলে বা ঘণীভূত অ্যালকোহলে ফিক্স করলে বা ফ্রিজিং করলেও এর ভ্রুণ তৈরির সক্ষমতা নষ্ট হয় না।এ বিষয়ে ইয়েমেনের দুই গবেষকও একই ধরনের প্রমাণ পান।২০০৩ সালে Dr.Othman Al Aljilani ও Sheikh Abd Al Majid Azzandani কক্সিস হাঁড়কে ১০মিনিট ধরে গ্যাস গান দিয়ে উচ্চতাপমাত্রায় পোড়ানোর পর তা টকটকে লাল হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে পুরোপুরি পুড়ে কালো হয়ে যায়।এরপর তারা এই পোড়া হাঁড়টিকে সানার বিখ্যাত Alolaki Analytic Laboratory তে Dr.Alolaki এর নিকট পাঠান যিনি সানা ইউনিভার্সিটির হিস্টোলজি ও প্যাথলজি বিভাগের প্রধান।Dr.Alolaki অ্যানালাইসিস করে দেখতে পান যে কক্সিসটির মাংস, চর্বি, মজ্জা বা বোন ম্যারোসহ পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে।কিন্তু অাশ্চর্য্যজনকভাবে কক্সিস নামক হাঁড়টির কোষগুলো (Cells) পুরোপুরি অক্ষত অাছে।গবেষকদ্বয় তাদের এই গবেষণা তথ্য ২০০৪ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত 7th conference of scientific miracles in The Koran and The Sunna তে তুলে ধরেন।
উপরোক্ত বৈজ্ঞানিক উপস্থাপন থেকে যে বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়া গেল-
১)প্রিমিটিভ স্ট্রিক ছাড়া ভ্রুণ থেকে শিশুর গঠন সম্ভব নয়।
২)প্রিমিটিভ স্ট্রিক অন্য পরিবেশেও নিজ সত্বারই কেবল শিশু তৈরি করতে পারে।
৩)নিজ কাজ সমাধার পর প্রিমিটিভ স্ট্রিক ‘কক্সিস’ নামক হাঁড়ের ভিতর বিলুপ্তপ্রায় ও সুপ্তপ্রায় অবস্থায় অবস্থান করে।
৪)প্রিমিটিভ স্ট্রিকের সক্ষমতা কোনভাবেই ধ্বংস করা সম্ভব নয়।
সুতরাং মৃত মানুষকে পুড়িয়ে ফেললে,মাটি চাপা দিলে কিংবা জলে ডুবিয়ে দিলেও তার ‘কক্সিস’ নামক হাঁড়ে থাকা প্রিমিটিভ স্ট্রিকের নিজ নিজ ভ্রুণ থেকে মানবদেহ তৈরির অর্গানাইজিং ক্ষমতা হারায় না।এভাবেই মাতৃগর্ভে মানবদেহ তৈরি হয়েছে যা আধুনিক বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত।আর প্রিমিটিভ স্টিকের কোন অবস্থাতেই ধ্বংস না হওয়া সেটি থেকে মানুষের পুনরুত্থানেরই ইঙ্গিত বহন করে যা উপরে উল্লেখিত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।অাল্লাই সর্বজ্ঞাতা এবং তিনিই ভালো জানেন।

৮০ বছরের গুনাহ মাফ হবে ছোট্ট একটি আমলে!!

চলার পথে আমরা অনেকেই জেনে না জেনে গুনাহ করে থাকি। কিন্তু আমরা চাইলেই আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে ক্ষমা পার্থনা করে মাফ পেতে পারি।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিউল উম্মি ওয়ালা আলিহি ওয়াসাল্লিম তাসলিমা’ জুমার দিন এই দরুদ শরিফখানা পাঠ করলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়।

< হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসরের নামাজের পর ৮০ বার এ দরুদ পড়বে, তার ৮০ বছরের

গোনাহ্ মাফ হবে এবং ৮০ বছর এবাদতের সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হবে। প্রশ্ন হয় যে, আল্লাহতায়ালা এ ছোট আমলের জন্য এত বেশি সওয়াব কেন দান করেন?

এর উত্তর হলো, কোনো আমলে সওয়াব কম দেওয়া বা বেশি দেওয়া এটা আল্লাহতায়ালার নিজস্ব ব্যাপার, এখানে কারও আপত্তি করার কিছু নেই।

মৃত্যুর যন্ত্রণা সবার আছে , কেউ বুঝতে পারে আবার কেউ পারেনা , কেন

মৃত্যুর যন্ত্রণা সবার আছে , কেউ বুঝতে পারে আবার কেউ পারেনা , কেন
মৃত্যুর যন্ত্রণা সবার আছে , কেউ বুঝতে পারে আবার কেউ পারেনা , কেন

শবে মেরাজের রজনীতে রাসুল (সাঃ) কে যে সকল ভয়াবহ শাস্তির নিদর্শন দেখানো হয়েছিল

শবে মেরাজের রজনীতে রাসুল (সাঃ) কে যে সকল শাস্তির নিদর্শন দেখানো হয়েছিল
শবে মেরাজের রজনীতে রাসুল (সাঃ) কে যে সকল শাস্তির নিদর্শন দেখানো হয়েছিল
শবে মেরাজের রজনীতে রাসুল (সাঃ) কে যে সকল শাস্তির নিদর্শন দেখানো হয়েছিল

বিভিন্ন দেশে প্রচলিত যৌন সম্পর্ক বিষয়ক বিভিন্ন ধরনের উদ্ভট আইন

যে দেশে মেয়ের বাসর রাতে- মানুষই পৃথিবীর একমাত্র বিরলতম প্রাণী, যারা কিনা বংশবৃদ্ধির কথা না ভেবে, কেবলমাত্র আনন্দের জন্য লিপ্ত হতে পারে।কিন্তু নানা কারণে রাষ্ট্র ও সমাজ চায় মানুষের শারীরিক স্বাভাবিক আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে। সেই উদ্দেশ্যেই গড়ে ওঠে শারীরিক সম্পর্ক সম্পর্কিত নানা ধরনের আইন। সেইসব আইনের অনেকগুলিই অনেকবেশি উদ্ভট। এখানে রইল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রচলিত তেমনই ৫টি শারীরিক সম্পর্ক সম্পর্কিত আইন।

১. কম্বোডিয়ার কালি-তে একজন নারী কেবলমাত্র তার স্বামীর সঙ্গেই শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে পারেন এবং স্বামী-স্ত্রীর প্রথম মেয়ের বাসর রাতের সময়ে তাদের শয্যাকক্ষে উপস্থিত থাকেন মেয়েটির মা। তিনি গোটা বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেন। এটাই সেই দেশের আইন।

২. ইংল্যান্ডের লিভারপুলে আঞ্চলিক মাছের দোকানে নারী মাছ বিক্রেতারা ইচ্ছে হলে সম্পূর্ণ টপলেস হয়ে মাছ বিক্রি করতে পারেন। ব্যাপারটি সেখানে বেআইনি বলে মনে করা হয় না।

৩. উরুগুয়েতে কোনও বিবাহিত মহিলা যদি কোনও পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, এবং সেই নারীর স্বামী যদি সেই নারীকে তার প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক আবস্থারত হাতে-নাতে ধরে ফেলতে পারেন তাহলে সেই নারী ও তার প্রেমিককে হত্যা করার আইনী অধিকার সেই স্বামীর রয়েছে।

৪. গু‌য়াম নামের দেশে শারীরিকভাবে কুমারী মেয়েদের বিয়ে করা আইনত নিষিদ্ধ। ফলে এই দেশে কোনও কোনও পুরুষের পেশাই হল কুমারী মেয়েদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে তাদের কৌমার্য হরণ করা।