আঁচিল সমস্যায় ভুগছেন?জেনে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে আঁচিল ঝরানোর নিয়মাবলী

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে।একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে।আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে।

আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো।নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন।সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন।দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়।ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগিয়ে রাখুন। রোজ ব্যবহার করুন, আঁচিল ঝরে পড়বে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে।আঁচিলের অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসায় আপনাকে একটু ধৈর্য্ ধরে চর্চা করতে হবে। যেকোন উপায় সপ্তাহখানেক মেনে দেখুন।এর মধ্যে ঝরে না পড়লে অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করুন। ব্যক্তিভেদে পদ্ধতি পার্থক্যের সৃষ্টি করে। কেউ কেউ আঁচিল সারাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।সার্জিক্যালি করতে গেলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আঁচিল দূর করা সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।নখ দিয়ে আঁচিল খোঁচা-খুঁচি করবেন না। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।তবে আঁচিলের সবচেয়ে কার্যকর চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে।এ সমস্যায় ভুগলে আপনার আশেপাশের ভালো এবং রেজিস্টার্ড কোন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগযোগ করে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিন।

সহজ পরীক্ষায় জেনে নিন গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে

​সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে হবে এ নিয়ে অনেক মা বাবা কত জল্পনা কল্পনা করেন। অনেকে আলট্রাসোনোগ্রাফি করেন,মেয়ে হবে জানতে পারলে অনেক মা-বাবা মন খারাপ করেন।ছেলে হক বা মেয়ে হোক সন্তান সন্তানই।এখানে যে পরীক্ষার কথা বলা হয়েছে তা অনেক ক্ষেত্রেই ফল্প্রসু হয়েছে। তবে আল্লাহতালার কুদ্রতের উপর কারো কোন হাত নেই। এ পরীক্ষা যে সবসময় সঠিক হবে তা মনে না করাই উচিত। এ ধরনের পরীক্ষায় শুধু মানসিক শান্তি পেতে পারেন… তবে এটি কে কেন্দ্র করে কোন সন্তানের জীবন বিপর্যয় বা পারিবারিক অসান্তি কাম্য নয়।

পরীক্ষা পদ্ধতিঃ

প্রথমে একটি পাত্রে ২ চা চামচ পরিমান বেকিং সোডা নিতে হবে, এবং তাতে ভ্রূণের বয়স যখন সাত সপ্তাহ বা তার উপর সে সময়কার সকালবেলার খালি পেটে থাকা অবস্থায় ১ কাপ পরিমান প্রসাব সংগ্রহ করতে হবে। সেই প্রসাব ঐ বেকিং সোডা মধ্যে আস্তে আস্তে ঢালতে হবে।

রেজাল্ট-

১. যদি বেকিং সোডা প্রসাবের সাথে মিশে কোন বিক্রিয়া না করে হাল্কা বুদবুদ উঠে এবং নিচে তলানি জমা হয় ও উপরে স্বচ্ছ পস্রাব দেখা জায় তবে সেটা সন্তান মেয়ে হবে নির্দেশ করে।

২. যদি বেকিং সোডা পস্রাবের সাথে মিশে প্রথমে ঝাজিয়ে উঠে বিক্রিয়া করে ও ফেনার স্তরের সৃষ্টি হয়, তবে সেটা সন্তান ছেলে হবে নির্দেশ করে।

নিচে ভিডিও দেখুন

ফলাফল > মেয়ে

 

ফলাফল > ছেলে

সাধারন একটি গাছ যার অসাধারন গুন গুলো শুনলে আপনি চমকে উঠবেন

তেলাকুচা বসত বাড়ির আশে পাশে, রাস্তার পাশে বন-জঙ্গলে জন্মায় এবং বংশ বিস্তার করে। সাধারণত চৈত্র বৈশাখ মাসে তেলাকুচা রোপন করতে হয়। পুরাতন মূল শুকিয়ে যায় না বলে গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বৃষ্টি হলে নতুন করে পাতা গজায় এবং কয়েক বছর ধরে পুরানো মূল থেকে গাছ হয়ে থাকে। অবহেলিত এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপকারী। আসুন জেনে নিই এর ঔষধি গুণ।
ডায়াবেটিসঃ ডায়াবেটিস হলে তেলাকুচার কাণ্ড সমেত পাতা ছেঁচে রস তৈরি করে আধাকাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে খেতে হবে। তেলাকুচার পাতা রান্না করে খেলেও ডায়াবেটিস রোগে উপকার হয়।

জন্ডিসঃ জন্ডিস হলে তেলাকুচার মূল ছেঁচে রস তৈরি করে প্রতিদিন সকালে আধাকাপ পরিমাণ খেতে হবে।পা ফোলা রোগেঃ গাড়িতে ভ্রমণের সময় বা অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসলে পা ফুলে যায় একে শোথ রোগ বলা হয়। তেলাকুচার মূল ও পাতা ছেঁচে এর রস ৩-৪ চা চামচ প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।শ্বাসকষ্টঃ বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট (হাপানি রোগ নয়) হলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ৩ থেকে সাত দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

কাশিঃ কাশি উপশমে ৩-৪ চা চামচ তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

স্তনে দুধ স্বল্পতাঃ সন্তান প্রসবের পর অনেকের স্তনে দুধ আসে না বা শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এ অবস্থা দেখা দিলে ১টা করে তেলাকুচা ফলের রস হালকা গরম করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তেলাকচুর পাতা একটু তিতে হওয়ায় পরিমাণমত সকাল-বিকাল ১ সপ্তাহ খেতে হবে।

ফোঁড়া ও ব্রণঃ এ সমস্যায় তেলাকুচা পাতার রস বা পাতা ছেঁচে ফোঁড়া ও ব্রণে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ব্যবহার করতে হবে।

আমাশয়ঃ প্রায়ই আমাশয় হতে থাকলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস ৩-৪ চা চামচ ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

অরুচিতেঃ সর্দিতে মুখে অরুচি হলে তেলাকুচার পাতা একটু সিদ্ধ করে পানিটা ফেলে দিয়ে ঘি দিয়ে শাকের মত রান্না করতে হবে। খেতে বসে প্রথমেই সেই শাক খেলে খাওয়াতে রুচি আসবে৷

জনসচেতনতায় শেয়ার করুন৷ নিয়মিত স্বাস্থ্য টিপস পেতে অামাদের পেইজে লাইক দিন৷ ভালো লাগলে T=Thanks, G=Good, E=Excellent সংক্ষেপে T, G বা E লিখে মন্তব্যে লিখুন৷