নামাযের ভিতর মোবাইল বন্ধ করার বিধানঃ প্রশ্ন ও উত্তর…

প্রশ্নঃ নামাযী ব্যাক্তি যদি নামাজ শুরু করার আগে মোবাইল ভাইব্রেট বা সাইলেন্ট না করে নামাজে দারিয়ে যায়, এমতাবস্থায় যদি নামাযের মধ্যে রিংটোন বাজতে থাকে তাহলে তার কী করণীয়? নামাজ ছেড়ে দিয়ে মোবাইল বন্ধ করা? না নামাজের মধ্যে আমলে ক্বলীলের সাথে মোবাইলফোন বন্ধ করা? না রিংটোন বাজতে দেওয়া?

উত্তরঃ জরুরী তো এটাই যে, নামাজ শুরু করার আগে মোবাইলফোন বন্ধ করা। এটাকে নিজের অভ্যাস বানিয়ে নেওয়া, তবে যদি কেউ অশতর্কতাবশত বন্ধ না করে নামাযে দাঁড়িয়ে যায় আর এ অবস্থায় রিংটোন বাজতে থাকে তাহলে লাগাতার বাজার কারনে নামাজ তো নষ্ট হবে না ঠিক; কিন্তু লাগাতার বাজার কারনে অন্যদের জন্য বড় কষ্ট হব, সাথে-সাথে নিজের নামাজের খুশু-খুজু নষ্ট হবে। সে ক্ষেত্রে আমলে ক্বলীলের সাথে একহাত দিয়ে মোবাইল পকেটে রেখে বন্ধ করা উচিত। মোবাইলফোন বন্ধ করার জন্য নামাজ ছাড়া ঠিক নয়। (আল বাহ্রুর রাইক, খন্ড-২ পৃঃ ১১)

না জানলে জেনে নিন সূরা ইখলাসের ফজিলত ও বরকত সমূহ।

সূরা ইখলাসের ফজিলত ও বরকতঃ
১। যে ব্যক্তি একবার সূরা ইখলাস পাঠ করবে সেই ব্যক্তি কুরআনুল কারীম এক তৃতীয়াংশ পাঠ করার সওয়াব লাভ করবে।
২। যে ব্যক্তি দশবার পাঠ করবে আল্লাহ্ তায়ালা নিজ কুদরতি হাতে জান্নাতের মধ্যে বিশেষ মর্যাদাশীল একটি মহল তৈরি করবেন।
৩। যে ব্যক্তি অধিক পাঠ করবে আল্লাহ্ তায়ালা আর জন্য জান্নাতে ওয়াজিব করে দিবেন।
৪। যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণ পাঠ করবে আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর লাশ বহন করার জন্য হয়রত জিবরাঈল (আঃ) এর সাথে সত্তর হাজার ফেরেশতা প্রেরন করবেন। সেই ফেরেশতারা তাঁর লাশ বহন করবে এবং জানাজায় শরিক হবে।
সুবহানাল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সকলকে জানার এবং বুঝার তৌফিক এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুক। আমীন।