দুধ এবং আনারস মিশিয়ে খেলে কী হয় এবং কেন হয়?

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, ‘আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে বিষক্রিয়া হয়ে কেউ মারা যায় এই Continue reading “দুধ এবং আনারস মিশিয়ে খেলে কী হয় এবং কেন হয়?”

মুখে ব্রণের কারণে যে ছোট ছোট গর্ত হয় তা কিভাবে দ্রুত দূর করা যায় ?

আমার মুখে এক সময় অনেক ব্রণ ছিল। তবে এখন অনেকটা কম হলেও দুই গালে ছোট ছোট গর্তের মত হয়ে গেছে, যার জন্য দেখতে খারাপ লাগে । এজন্য নিজেও হীনমন্যতায় Continue reading “মুখে ব্রণের কারণে যে ছোট ছোট গর্ত হয় তা কিভাবে দ্রুত দূর করা যায় ?”

সর্দি-কাশি দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়

দুধ ও হলুদ : দুধ যে কোনো বয়সের জন্যই সমান উপকারী। এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। হলুদে অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল Continue reading “সর্দি-কাশি দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়”

শরীর সুস্থ ও নীরোগ রাখার উপায়গুলো কি কি?

শরীর হচ্ছে সব কিছুর মূল এটি অসুস্থ থাকলে মন খারাপ থাকে কাজে অনিহা তৈরি হয় জীবন কষ্টকর হয়ে উঠে তাই জীবন কে সুন্দর সুখীময় রাখতে শরীর সুস্থ থাকা একান্ত Continue reading “শরীর সুস্থ ও নীরোগ রাখার উপায়গুলো কি কি?”

প্রশ্ন: পায়ের আঙ্গুল ফোলে, লাল হয়, আর তাতে চুলকানি, সমাধান কি ?

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পায়ের আঙ্গুল যদি ফুলে উঠে এবং চুলকায় তাহলে এলার্জি জনিত বা ছত্রাক জনিত সমস্যা হওয়ার কথা। অনেক সময় কিডনির সমস্যা থাকলেও পায়ে Continue reading “প্রশ্ন: পায়ের আঙ্গুল ফোলে, লাল হয়, আর তাতে চুলকানি, সমাধান কি ?”

আঁচিল সমস্যায় ভুগছেন?জেনে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে আঁচিল ঝরানোর নিয়মাবলী

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে।একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে।আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে।

আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো।নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন।সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন।দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়।ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগিয়ে রাখুন। রোজ ব্যবহার করুন, আঁচিল ঝরে পড়বে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে।আঁচিলের অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসায় আপনাকে একটু ধৈর্য্ ধরে চর্চা করতে হবে। যেকোন উপায় সপ্তাহখানেক মেনে দেখুন।এর মধ্যে ঝরে না পড়লে অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করুন। ব্যক্তিভেদে পদ্ধতি পার্থক্যের সৃষ্টি করে। কেউ কেউ আঁচিল সারাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।সার্জিক্যালি করতে গেলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আঁচিল দূর করা সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।নখ দিয়ে আঁচিল খোঁচা-খুঁচি করবেন না। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।তবে আঁচিলের সবচেয়ে কার্যকর চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে।এ সমস্যায় ভুগলে আপনার আশেপাশের ভালো এবং রেজিস্টার্ড কোন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগযোগ করে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিন।

স্ট্রোকের যে লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না

স্ট্রোক খুবই ভয়ানক। সারা পৃথিবীতেই এর কারণে প্রতিবছর কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। স্ট্রোকের কারণে অনেকেরই হয় প্যারালাইসিস, কেউবা আবার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়ে মারা যান। প্রাত্যহিক জীবনে প্রায়ই আমরা এমন কিছু লক্ষণের মুখোমুখি হই, যেগুলো আসলে দীর্ঘমেয়াদে স্ট্রোকের পূর্বলক্ষণ।আসুন রিডার্স ডাইজেস্ট অবলম্বনে স্ট্রোকের পূর্বলক্ষণগুলো কী, জেনে নেই। মতামত দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব মায়ামি নর্থ স্কুল অব মেডিসিনের অধ্যাপক ও পৃথিবী বিখ্যাত স্ট্রোক স্পেশালিস্ট র‌্যালফ স্যাকো।

১. দেখার সমস্যা যেমন একটা জিনিসকে দুইটা দেখা, চোখে কম দেখা-এই লক্ষণগুলো অনেকে এড়িয়ে যান ক্লান্তি কিংবা বয়সের দোহাই দিয়ে। ডাক্তাররা বলেন, এগুলো স্ট্রোকের পূর্বলক্ষণ হতে পারে।
২. ঘুম থেকে হাত অবশ অবশ লাগে। প্রাথমিকভাবে আমরা ভাবি উল্টোভাবে শুয়ে থাকার কারণে এরকম ঘটে থাকে। এটা অনেকাংশে সত্যি। তবে এই হঠাৎ হাত অবশ হয়ে যাওয়া স্ট্রোক হওয়ার ইঙ্গিতও দিতে পারে।
৩. কথা জড়িয়ে গেলে আমরা বলি যে, অনেকগুলো অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেয়েছি এজন্য এরকম হচ্ছে। ওষুধের পার্শপ্রতিক্রিয়া হিসেবে এরকম হতে পারে। যদি তা নয়, তাহলে কথা জড়িয়ে যাওয়া স্ট্রোকের একটি পূর্বলক্ষণ। এর পাশাপাশি মুখটা যদি হালকা বেঁকে যায় তাহলে অবহেলা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
৪. হঠাৎ করে শরীর কাপতে শুরু করলে, ঠিকভাবে হাঁটতে অসুবিধা হলে অথবা আকস্মাৎ চোখে অন্ধকার দেখা- এগুলো স্ট্রোকের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। তবে অতিরিক্ত মদ্যপান করলেও এই সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে।
৫. অনেকেই ভুগে থাকেন মাথাব্যথায়। মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে এক কথা। নতুবা হঠাৎ করে হওয়া মাথাব্যথাকে স্ট্রোক হওয়ার পূর্বলক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

সাধারন একটি গাছ যার অসাধারন গুন গুলো শুনলে আপনি চমকে উঠবেন

তেলাকুচা বসত বাড়ির আশে পাশে, রাস্তার পাশে বন-জঙ্গলে জন্মায় এবং বংশ বিস্তার করে। সাধারণত চৈত্র বৈশাখ মাসে তেলাকুচা রোপন করতে হয়। পুরাতন মূল শুকিয়ে যায় না বলে গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বৃষ্টি হলে নতুন করে পাতা গজায় এবং কয়েক বছর ধরে পুরানো মূল থেকে গাছ হয়ে থাকে। অবহেলিত এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপকারী। আসুন জেনে নিই এর ঔষধি গুণ।
ডায়াবেটিসঃ ডায়াবেটিস হলে তেলাকুচার কাণ্ড সমেত পাতা ছেঁচে রস তৈরি করে আধাকাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে খেতে হবে। তেলাকুচার পাতা রান্না করে খেলেও ডায়াবেটিস রোগে উপকার হয়।

জন্ডিসঃ জন্ডিস হলে তেলাকুচার মূল ছেঁচে রস তৈরি করে প্রতিদিন সকালে আধাকাপ পরিমাণ খেতে হবে।পা ফোলা রোগেঃ গাড়িতে ভ্রমণের সময় বা অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসলে পা ফুলে যায় একে শোথ রোগ বলা হয়। তেলাকুচার মূল ও পাতা ছেঁচে এর রস ৩-৪ চা চামচ প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।শ্বাসকষ্টঃ বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট (হাপানি রোগ নয়) হলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ৩ থেকে সাত দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

কাশিঃ কাশি উপশমে ৩-৪ চা চামচ তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

স্তনে দুধ স্বল্পতাঃ সন্তান প্রসবের পর অনেকের স্তনে দুধ আসে না বা শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এ অবস্থা দেখা দিলে ১টা করে তেলাকুচা ফলের রস হালকা গরম করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তেলাকচুর পাতা একটু তিতে হওয়ায় পরিমাণমত সকাল-বিকাল ১ সপ্তাহ খেতে হবে।

ফোঁড়া ও ব্রণঃ এ সমস্যায় তেলাকুচা পাতার রস বা পাতা ছেঁচে ফোঁড়া ও ব্রণে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ব্যবহার করতে হবে।

আমাশয়ঃ প্রায়ই আমাশয় হতে থাকলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস ৩-৪ চা চামচ ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

অরুচিতেঃ সর্দিতে মুখে অরুচি হলে তেলাকুচার পাতা একটু সিদ্ধ করে পানিটা ফেলে দিয়ে ঘি দিয়ে শাকের মত রান্না করতে হবে। খেতে বসে প্রথমেই সেই শাক খেলে খাওয়াতে রুচি আসবে৷

জনসচেতনতায় শেয়ার করুন৷ নিয়মিত স্বাস্থ্য টিপস পেতে অামাদের পেইজে লাইক দিন৷ ভালো লাগলে T=Thanks, G=Good, E=Excellent সংক্ষেপে T, G বা E লিখে মন্তব্যে লিখুন৷

জেনে নিন কেন খাবেন ইসবগুলের ভুসি

ইসবগুলের অনেক উপকারিতা রয়েছে।
কোষ্ঠকঠিন্যতায় : এ সমস্যা হলে ৫-১০ গ্রাম ইসবগুল নিয়ে ১ কাপ ঠাণ্ডা বা গরম পানিতে আধাঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তাতে ২-৩ চামচ চিনি মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে বা রাতে শোয়ার আগে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের পেটের পীড়া, কোষ্ঠকঠিন্যতায় উপকারী। যারা দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকঠিন্যতায় ভুগছেন তারা ২ মাস নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকঠিন্য দূর হবে। পেট স্বাভাবিক হলে সপ্তাহে ১-২ দিনের বেশি না খাওয়াই ভালো। বেশি মাত্রায় খেলে ডায়রিয়ার সমস্যা হতে পারে।

পেট পরিষ্কারে ওষুধের চেয়ে ইসবগুল অনেকগুণে উপকারী। সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে অর্শ্বরোগের সৃষ্টি হয়। অর্শ্বরোগ অনেক সময় ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধিতেও রূপান্তরিত হতে পারে। এসব সমস্যার শুরু থেকে সমাধান করতে ইসবগুলের ভুসি উপকারী। ওষুধ পেটকে কেমিক্যালাইস করে; ইসবগুলের ভুসি প্রাকৃতিকভাবে আমাদের সুস্থ রাখে। প্রতি রাতে ভুসি খেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করলে আমাশয় থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

ইসবগুল আমাশয়ের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না, তবে বের করে দিতে পারবে। তাই আমাশয়ের রোগীরা সকালে ও রাতে একগ্লাস ইসবগুলের শরবত খেলে উপকার পাবে। ওষুধ খেয়ে আমাশায় ঠিক করলে জীবাণুগুলো পেটের ভেতরে মরে গেলেও শরীর থেকে বের হয় না; যার কারণে আবারও আমাশায় রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে।

যাদের ইউরিনে জ্বালাপোড়া আছে তারা সকালে-বিকালে শরবতের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমবে এবং ইউরিনের রং স্বাভাবিক হয়ে যাবে। হাতে, পায়ে জ্বালাপোড়া ও মাথা ঘোরানো রোগে আখের গুড়ের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিলিয়ে সকাল-বিকাল এক সপ্তাহ খেলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

প্রস্রাব চেপে রেখে যে মারাত্মক বিপদ ঢেকে আনছেন

কখনও অফিসের কাজের ব্যস্ততা আবার কখনও রাস্তায় বেরিয়ে পরিষ্কার শৌচালয়ের অভাব। নানা কারণে আপনি হয়তো অনেক সময় প্রস্রাব চেপে রাখেন। কিন্তু জানেন কি, প্রস্রাব চেপে রাখার ফল হতে পারে মারাত্মক। বেশ কয়েকটি ভয়ঙ্কর রোগে আক্রান্ত হতে পারেন আপনি।

ভারতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের সংক্রামক রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেহা গুপ্তাকে উদ্ধৃত করে একটি ভারতীয় হিন্দি দৈনিক জানিয়েছে, প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে অন্তত পাঁচটি রোগ মানুষের শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।

এক নজরে দেখে নিন, প্রস্রাব চেপে রেখে যে মারাত্মক বিপদ ঢেকে আনছেন :-

কিডনি স্টোন- প্রস্রাবে ইউরিয়া এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো টক্সিক পদার্থ থাকে। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে এই বিষাক্ত পদার্থগুলি কিডনিতে পৌঁছে কিডনি স্টোনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে ব্লাডারে জীবাণু জন্মাতে থাকে। যা থেকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন-এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রস্রাব চেপে রাখার কারণে ব্লাডার ফুলে যেতে পারে। ফলে, প্রস্রাব করার সময়ে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করতে পারেন। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে কিডনির উপরে চাপ পড়ে। এর ফলে কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।